সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের অনুমোদিত খসড়ায় পরিবর্তন এনেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে যুক্ত হয়েছে জাতীয় পতাকা বা জাতীয় সংগীতের বিরুদ্ধে প্রচারণার শাস্তির বিধান। অন্যদিকে বাদ দেওয়া হয়েছে বিতর্কিত সাইবার বুলিংয়ের বিধান।
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ বাতিলের জোরালো দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ১০০ নাগরিক। তাঁরা বলেছেন, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের বেশ কিছু ধারা মানবাধিকারসংশ্লিষ্ট কনভেনশনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
অনুমোদিত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়ায় আগের বিতর্কিত দুটি আইনের প্রতিফলন ঘটেছে বলে উল্লেখ করেছে টিআইবি। সংস্থাটি বলেছে, বাক্স্বাধীনতা–মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে এটি নিয়ন্ত্রণমূলক ও নজরদারির অধ্যাদেশে পরিণত হয়েছে।
বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সাইবার নিরাপত্তা (বাতিল) অধ্যাদেশ ২০২৪-এর খসড়ায় নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ এনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।